About Heritage

Heritage : Archives of Bangladesh History-at a glance

Established on : 23 March 2002
Location: Rajshahi (300 KM west of Dhaka)

What is heritage all about: Heritage is an independent professional depository of important documents, photographs, leaflets, posters, private correspondences, journals and periodicals, magazines, local history books, and audiovisual and digital items. It aims at creating a new type of open, service-oriented and user-friendly archives in Bangladesh.

The focus is on:
1. Social movements (pro-democracy, labour, students, peasant, women, environmental, Islamic, nationalist, human right(s), and
2. Social transformation (emergence of NGO’s urban growth, new entrepreneurial groups, labour migration, popular culture).

Heritage focuses on the post-colonial period (1947 onward), but also welcomes older material. It concentrates on material produced by civil society but it also includes material produced by state institutions.

The reason for establishing a private archives: The collective memory of Bangladesh and its 140 million inhabitants is severely threatened because there are no places where we can deposit our historical material. There are only a few archives in Bangladesh and they collect state records. So, for collecting and preserving such materials which neither the state archives, nor the existing libraries of Bangladesh collect and preserve, ‘Heritage: Archives of Bangladesh History’ has been established.

Holdings of Heritage (From March 2002 to December 2013) : Present collection includes: specialized periodicals (i.e. on left political parties, women NGOs, cultural organizations etc), posters, leaflets, souvenirs, local history books etc.

a) Periodicals: The Heritage has already collected periodicals on about 2400 titles. These periodicals are important because no library in Bangladesh collects them. These periodicals often publish special issue on left politics, on labour movements, on fundamentalist, etc.
b) Posters: The Heritage has collected about 3000 important posters on cultural movements, left political parties, underground political parties, etc…
c) Leaflets: The Heritage has collected about 3000 (political, social, cultural) leaflets.
d) Books on local history and indigenous people: The important section of Heritage is on local studies (studies on Districts and Upazilas) and indigenous people of Bangladesh. It has about 5000 books on 64 districts of Bangladesh. It has also a good collection of books on the indigenous people of Bangladesh.
e) Souvenirs: Heritage has already huge collections of souvenirs of educational institutions, municipalities, cultural organizations (Drama clubs, music clubs, and sports clubs), daily news papers and periodicals, political and student parties, etc. These are very informative.
f) Paper Clippings: Heritage makes paper clipping from almost all leading dailies of Bangladesh. These have been classified into 50 different titles, viz. on liberation movement of Bangladesh, on New years’ festival on Bangladesh, on religion, on minority communities, on Chittagong Hill Tracts and its inhabitants, on local history, on leading personalities, left politics and left political parties, on student parties and their politics, on labour history, labour organizations and labour movements, on women history, women organizations, women movements, borders of Bangladesh and border incidents, on minority repression, on NGO etc.
g) Coins: Heritage has collected some coins of British (1940s) and Pakistan (1960s) Periods.
Space and size of Heritage rooms: Heritage has been functioning in a separate building of 1500 sqft × 3 floors.
Manpower: It has no permanent staff: The founder himself, few temporary staff and some volunteers work here.
Research Facilities: It remains open 4 hours a day, from 4.30 pm to 8.30 pm. Four researchers can work together. It has received a Photo copier from Janata Bank. For financial constrains it can not provide much facility to the researchers.
Heritage Publications: Heritage Publishes a quarterly journal titled Sthaniya Itihas (Local History).

Professor Dr. Md. Mahbubar Rahman
Chairman
Heritage Archives of Bangladesh History Trust
456-Ka Kajla, Rajshahi 6204, Bangladesh
Phone : 0721-750268 (Res), 0721-750801 (Evening)
Mobile : 01716-760485
E-mail : mahabub52_heritage@yahoo.com
website: heritagearchivesbd.com

 

 

 

 

 

 

হেরিটেজ : বাংলাদেশের ইতিহাসের আরকাইভস-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিত (২০০২-২০১৩)

 

‘হেরিটেজ আরকাইভস অব বাংলাদেশ হিস্টরি ট্রাস্ট’ (প্রতিষ্ঠিত নভেম্বর ২০০৭)-এর প্রধান কৃতিত্ব-‘হেরিটেজ: বাংলাদেশের ইতিহাসের আরকাইভস’ নামক একটি আরকাইভস (নথি সংগ্রহশালা) পরিচালনা করা। ২০০২ সালের মার্চ মাসে সম্পূর্ণ ব্যক্তি-উদ্যোগে একটি আরকাইভস প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে বিভিন্ন ডকুমেন্টস সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। এর উদ্যোক্তা ড. মো. মাহবুবর রহমানের বাসভবনে সংগৃহীত লিফলেট, পোস্টার, স্মরণিকা, বার্ষিকী, সাময়িক পত্রিকা, জেলা-উপজেলা বিষয়ক গ্রন্থ, রাজনৈতিক দল, ছাত্র-সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন, নারী, আদিবাসী প্রভৃতি বিষয়ে নানান ডকুমেন্টস জমা হতে থাকে। ২০০৭ সালের ৭ ডিসেম্বর একটি নতুন একতলা ভবনে হেরিটেজ আরকাইভস-এর সংগ্রহশালার শুভ উদ্বোধন করা হয়। আরকাইভস পরিচালনার জন্য গঠিত হয় ট্রাস্ট। হেরিটেজ উদ্যোক্তার বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও কিছু সহৃদয় ব্যক্তির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় ও কিছু স্বেচ্ছাসেবকের অক্লান্ত পরিশ্রমে হেরিটেজ আরকাইভসটি দিন দিন উন্নতি লাভ করছে। দিন দিন এর শুভার্থী ও পৃষ্ঠপোষকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে রাজশাহী জেলা পরিষদ, জনতা ব্যাংক লি:, অগ্রণী ব্যাংক লি:, রূপালী ব্যাংক লি:, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত এম.পি. এবং মাননীয় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জনাব আবদুল লতিফ সিদ্দিকী এম.পি, রাজশাহী সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ফজলে হোসেন বাদশা, প্রফেসর আতফুল হাই শিবলী (সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন), প্রফেসর ড. ভেলাম ভ্যান স্যান্ডেল (ইতিহাস বিভাগ, আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়, নেদারল্যান্ডস), ফ্লোরাজ খেরাজ (ডাচ আরকিভিস্ট), দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক জনাব মতিউর রহমান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (কবি আসাদ মান্নান), প্রফেসর মোহাম্মদ শাফি (ইতিহাস বিভাগ, রা.বি.), প্রফেসর আলাউদ্দিন, জনাব মো. ওবায়দুল্লাহ (চার্টাড কম্পিউটার, রাজশাহী), তাহদিনা নাজনীন (রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল) এবং আরও অসংখ্য গুণগ্রাহীয় কাছ থেকে কিছু আর্থিক অনুদান পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১১ সালের ১৮ আগস্ট তারিখে হেরিটেজ আরকাইভস পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাঁর উদ্যোগে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হেরিটেজ আরকাইভসের নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য ৭৫ লক্ষ টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করেন। হেরিটেজ আরকাইভসের এখন নিজস্ব তিনটি ফ্লোর স্পেস (আয়তন একেকটি ১৫০০ বর্গফুট করে হয়েছে)। আবাসনের সুব্যবস্থা হওয়ার সাথে সাথে এখানে অনেকের ব্যক্তিগত সংগ্রহও আসছে। বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক প্রফেসর এ.এফ. সালাহউদ্দিন আহমেদ, খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক প্রফেসর হাসান আজিজুল হক, প্রফেসর মুনতাসীর মামুন, ইউ.জি.সি. প্রফেসর শাহানারা হোসেন, কবি আবু বকর সিদ্দিক, প্রফেসর কেএম মোহসিন, প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম, প্রফেসর সফর আলী আকন্দ, প্রফেসর মু. শমশের আলী, প্রফেসর হাশেম খান, প্রফেসর ফায়েকউজ্জামান, প্রফেসর শাহ হাবিবুর রহমান, প্রফেসর ড. স্বরোচিষ সরকার, মরহুম প্রফেসর তাহমিনা আলম, ড. নাহিদ ফেরদৌসী, অধ্যাপক ফজলুল হক, কবি সাযযাদ কাদির, জনাব একরামুল কবির, মিসেস কল্পনা রায় প্রমুখের ব্যক্তিগত সংগ্রহ পেয়ে হেরিটেজ আরকাইভস সমৃদ্ধ হয়েছে।

হেরিটেজ আরকাইভস প্রতিষ্ঠার কারণ

অতীতকে বাদ দিয়ে কখনও বর্তমানকে ব্যাখ্যা করা যায় না কিংবা ভবিষ্যতের দিক নির্দেশনাও খুঁজে পাওয়া যায় না। অতীত ইতিহাসের উপকরণ যত্নের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হয় গ্রন্থাগার, আরকাইভস (রেকর্ডরুম/ মহাফেজখানা/ নথি সংরক্ষণাগার) এবং জাদুঘরে। পৃথিবীর সকল দেশেই সরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত আরকাইভসে সরকারি বা রাষ্ট্রীয় দলিলপত্র সংরক্ষণ করা হয়। বাংলাদেশেও কেন্দ্রীয়ভাবে ন্যাশনাল আর্কাইভস অব বাংলাদেশ এবং জেলা পর্যায়ে কালেক্টরেট রেকর্ডরুম ও জেলা জজ রেকর্ডরুম আছে। এগুলোতে সরকারি নথিপত্র সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু বেসরকারি রেকর্ডপত্র সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা বাংলাদেশে নেই। বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বাসমূহ ইত্যাদি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ইস্যুতে লিফলেট, ইশতেহার, পুস্তিকা, বুলেটিন, সাময়িকী, পোস্টার ইত্যাদি প্রকাশ ও প্রচার করছে- কিন্তু সেগুলি সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা কোথাও নেই। বাংলাদেশে বিভিন্ন কৃষক-শ্রমিক আন্দোলন, ছাত্র আন্দোলন, নারী আন্দোলন, বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণির আন্দোলন, কমিউনিস্ট আন্দোলন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বাসমূহের আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতা-মৌলবাদ-বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন প্রভৃতি উপলক্ষ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন গ্রন্থ, ইশতেহার, পুস্তিকা, সাময়িকী, সংবাদপত্র, আলোকচিত্র, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, পতাকা, ব্যঙ্গচিত্র, চিঠিপত্র, স্মারকচিহ্ন, প্রামাণ্য চলচিত্র/ভিডিও চিত্র ইত্যাদি সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কোনো ঐতিহ্য এদেশে গড়ে ওঠেনি। এ সকল আন্দোলনের অধিকাংশ নেতা আত্মজীবনী বা তাঁদের অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত কিছু না লিখেই মারা গিয়েছেন বা যাবেন। তাঁদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের ব্যবস্থা এদেশে প্রচলিত নেই। সরকার ও প্রতিষ্ঠানবিরোধী বিভিন্ন সংগঠন – অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাদের কাজ করতে হয় গোপন অথবা প্রায় গোপন অবস্থায়, প্রতিনিয়ত যারা হামলার সম্মুখীন হচ্ছে- তাদের দলিলপত্র কদাচ যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়। স্বভাবতই এ সকল বিপ্লবী সংগঠনসমূহের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র সংরক্ষণের অভাবে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ও যাচ্ছে।

ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের সম্পর্কে কিছুই জানতে পারবে না। এভাবেই সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাস হারিয়ে যাচ্ছে মহাকালের অন্ধকার গহবরে। এজন্য কেবল সরকারি প্রচেষ্টার অভাব কিংবা সরকারি উদাসীনতাকেই দায়ী করলে চলবে না। সামগ্রিকভাবে আমাদের ইতিহাস চেতনার অভাবের কারণেই আরকাইভসে সংরক্ষণযোগ্য নিদর্শনসমূহ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণের প্রয়োজন। আর এ লক্ষ্যেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে হেরিটেজ: বাংলাদেশের ইতিহাসের আরকাইভস। হেরিটেজ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে: বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের উপকরণ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা এবং ঐতিহাসিক ও গবেষকদের নির্দিষ্ট বিষয়ে সঠিক তথ্য সরবরাহ করা।

হেরিটেজ আরকাইভসে যে সকল নথিপত্র সংগ্রহ করা হয় :

  1. বাংলাদেশের সকল (সক্রিয় ও বিলুপ্ত) রাজনৈতিক দল, ছাত্র-সংগঠন, শ্রমিক, কৃষক, নারী, আদিবাসী, উপজাতি, পেশাজীবী প্রভৃতি সংগঠনের সকল ধরনের নথিপত্র (যেমন, গঠনতন্ত্র, মেনিফেস্টো, ইতিহাস, প্রচার পুস্তিকা, লিফলেট, পোস্টার, চিঠিপত্র, পার্টির রিপোর্ট, বুলেটিন, পার্টি পত্রিকা, পার্টির সভার কার্যবিবরণী, ফটোগ্রাফ, নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎকার, ডায়েরি, ভাষণের লিখিত কপি ইত্যাদি);
  2. বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বার্ষিকী, ম্যাগাজিন, বুলেটিন, স্মরণিকা, পোস্টার, লিফলেট;
  3. বিভিন্ন দিবস (স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, শহীদ দিবস, নারী দিবস, আদিবাসী-উপজাতি দিবস ইত্যাদি) উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকা, পুস্তিকা, লিফলেট, বুলেটিন, প্রচারপত্র প্রভৃতি;
  4. স্থানীয় ইতিহাসগ্রন্থ (জেলা-উপজেলার ইতিহাস), লোকগীতি, লোকছড়া, পল্লী কবি-সাহিত্যিকদের লেখা গ্রন্থ, জীবনীগ্রন্থ, স্মৃতিকথা, গ্রাম বাংলার যে কোনো বিষয়ের উপর প্রকাশিত লেখা বা পান্ডুলিপি, আদিবাসী-উপজাতি ও নারী বিষয়ে লেখা, ছড়া, কবিতা, মানচিত্র, চিত্রকলা, আলোকচিত্র, ব্যঙ্গচিত্র, স্মারকগ্রন্থ ইত্যাদি;
  5. বিভিন্ন সাময়িক পত্রিকা, গবেষণা জার্নাল, লিটল ম্যাগাজিন, নিউজ লেটার, বুলেটিন, বিশেষ দিন ও ঘটনার উপর প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা, জেলা-উপজেলা থেকে প্রকাশিত সকল দৈনিক পত্রিকার নমুনা এবং স্থানীয় পর্যায়ের সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক পত্রিকা ইত্যাদি।

হেরিটেজ-এর সংগ্রহ পদ্ধতি:

হেরিটেজ মূলত নির্ভর করে ইতিহাস-সচেতন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দানের উপর। বাংলাদেশের প্রত্যেক ইতিহাস-সচেতন ব্যক্তির সংগ্রহে রয়েছে কিছু না কিছু ইতিহাসের উপকরণ। কিন্তু তা অজ্ঞাত থাকায় গবেষকদের কাজে লাগছে না। ব্যক্তিগত সংগ্রহও আবহাওয়াগত কারণে কিংবা ইঁদুর, উইপোকা ও বিভিন্ন পোকামাকড়ের আক্রমণে বিনষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় এ সকল রেকর্ড ব্যক্তির কাছে না রেখে কোনো একটি জায়গায় সংগ্রহ করে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে তালিকা প্রণয়নসহ শ্রেণিকরণ করে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিলে তা জাতীয় সম্পদে পরিণত হবে। ফলে শিক্ষা ও গবেষণা কাজে তার সঠিক ব্যবহার হবে। দানকারী ব্যক্তিও প্রয়োজনমত তা ব্যবহার করতে পারবেন।

হেরিটেজ আরকাইভসে মার্চ ২০০২ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৩ পর্যন্ত সংগ্রহ:

  1. সাময়িক পত্রিকা : ২৪০০ শিরোনামের কয়েক হাজার সাময়িকী। প্রায় দেড়শ শিরোনামের গবেষণা জার্নাল।
  2. পোস্টার : সামাজিক-সাংস্কৃতিক, নৃতাত্ত্বিক, রাজনৈতিক প্রভৃতি বিষয়ে প্রায় ৩০০০টি পোস্টার।
  3. লিফলেট : রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক-অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক প্রভৃতি বিষয়ে প্রায় ৩০০০টি লিফলেট।
  4. স্থানীয় ইতিহাস (জেলা-উপজেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য বিষয়ে): বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা সম্পর্কে গ্রন্থ, স্মরণিকা, বার্ষিকী, গেজেটিয়ার রিপোর্ট ইত্যাদি। হেরিটেজ আরকাইভসে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ইতিহাস গ্রন্থ আছে।
  5. আদিবাসী ও পার্বত্য চট্টগ্রাম: উল্লেখযোগ্যসংখ্যক গ্রন্থ ও পত্র-পত্রিকা।
  6. স্মরণিকা: কয়েক হাজার।
  7. স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার স্মরণিকা-বার্ষিকী: কয়েক শত।
  8. পত্র-পত্রিকা: (১) সংবাদ: ১৯৯৮ থেকে (২) একতা: ১৯৯৮ থেকে (৩) ভ্যানগার্ড: প্রতিষ্ঠার সময় থেকে (৪) দৈনিক পত্রিকাগুলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংখ্যা (৫) দৈনিক পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা : ভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, পহেলা বৈশাখ, ঈদ উৎসব, চলমান উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী। (৬) ৫০টি বিষয়ে পেপার ক্লিপিং
  9. ৫২টি রাজনৈতিক দল, ২০টি ছাত্র সংগঠন, বিভিন্ন এনজিও, সভা-সমিতি-সংগঠন প্রভৃতির ডকুমেন্টস।
  10. নারী ও শ্রমিক সম্পর্কিত ডকুমেন্টস

হেরিটেজ ভবনের আয়তন : পাঁচতলা ভবনের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা (প্রতিটিতলা ১৫০০ বর্গফুট করে)

হেরিটেজ-এর কর্মীবাহিনী :

(ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দ

(খ) হেরিটেজ-এর প্রতিষ্ঠাতার বন্ধু-বান্ধব

(গ) বিভিন্ন জেলায় বসবাসরত হেরিটেজের বন্ধুবর্গ

(ঘ) স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক (হেরিটেজ-এর কোনো স্থায়ী কর্মী নেই)

গবেষণার সুযোগ : হেরিটেজ ভবন প্রতিদিন বিকেল ৪.৩০ থেকে রাত ৮.৩০ মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকে।

এক সঙ্গে চারজন করে গবেষক এখানে তথ্য সংগ্রহের কাজ করতে পারেন। চলতি বিষয়ে কিছু অনুসরণীয় নীতিমালা আছে।

হেরিটেজ প্রকাশনা : হেরিটেজ-এর উদ্যোগে ‘স্থানীয় ইতিহাস’ শিরোনামে একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। এর ৯টি সংখ্যা ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। এমাসে ১০ম সংখ্যা প্রকাশিত হবে।

হেরিটেজ-এর তহবিল : এর আয়ের উৎস ব্যক্তি-অনুদান।

হেরিটেজ ট্রাস্ট : হেরিটেজ আরকাইভস পরিচালিত হচ্ছে একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে।

হেরিটেজ-এর পক্ষ থেকে আহবান : জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণে এগিয়ে আসুন

হেরিটেজ আরকাইভস-এ ইতিহাসের উপকরণ পাঠান।

 

ড. মো. মাহবুবর রহমান

চেয়ারম্যান

হেরিটেজ আরকাইভস অব বাংলাদেশ হিস্টরি ট্রাস্ট

৪৫৬-ক কাজলা, ডাকঘর: কাজলা

থানা : মতিহার, জেলা : রাজশাহী

মোবাইল : ০১৭১৬ ৭৬০৪৮৫

E-mail: mahabub52_heritage@yahoo.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>